মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) তিনি বলেন, ঈদের সরকারি ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে গার্মেন্টসসহ সব শিল্প সেক্টরের শ্রমিকদের বদলি ছুটি পাওনা থাকলে কারখানা পর্যায়ে মালিক-শ্রমিক সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেবেন।
রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলনকক্ষে আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ-টিসিসি’র সভায় সভাপতির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণটিকার আওতায় ৩৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের শ্রমিকদের টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে শ্রম মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
খুব শিগগিরই ৩৫ বছরের কম বয়স্ক শ্রমিকদের অগ্রাধিকারভিত্তিতে করোনা টিকার ব্যবস্থা করা হবে। সভায় উপস্থিত মালিক প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন প্রায় শতভাগ কারখানার শ্রমিকদের গত জুন মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ঈদে মানুষের যাতায়াত, কোরবানির কেনাবেচা নির্বিঘ্ন করতে আগামী ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। তাই বলে গাদাগাদি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল না করতে শ্রমিকদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, সবাই কষ্ট করে হলেও মাস্ক পরুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। এতে আপনি যেমন নিরাপদে থাকবেন, আপনার পরিবার পরিজন নিরাপদ থাকবে, দেশ নিরাপদে থাকবে।
সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শাহজাহান খান বলেন, ছুটির বিষয়ে বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
মালিকরা বেতন-বোনাস দিয়ে দিবেন বলে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে তিনি মালিক -শ্রমিকদের স্বার্থেই ট্রেড ইউনিয়ন দেওয়ার বিষয়ে মালিকদের উদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক নাসির উদ্দীন আহমেদ, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গৌতম কুমার, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, সহসভাপতি নাছির উদ্দিন, বিকেএমইএ এর সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নুর কুতুব আলম মান্নান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, শ্রমিক নেতা সিরাজুল ইসলাম রনি, নাজমা আক্তার প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।