ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ে সংক্রান্ত একটি ওয়েবসাইটে ওই যুবতীর সঙ্গে পরিচয় হয় নাগপুরের বাসিন্দা সুশীলের। যুবতী নিজেকে সুচিতা দাস নামে পরিচয় দেন। যুবতী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিয়ে তিনি নিউজার্সি আছেন এবং ভারতীয়কে বিয়ে করতে চান। এরপর দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিছুদিন পর সুশীল সুচিতাকে বিয়ের প্রস্তাব সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান যুবতী।
এরমধ্যে ২০২০ সালের অক্টোবরে সুচিতা সুশীলকে জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে একটি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ ও এক লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। এর কিছুদিন পর এক ব্যক্তি সুশীলকে ফোন করে এবং নিজেকে শুল্ক দপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দেন। তিনি সুশীলের জন্য আসা পণ্য নেওয়ার জন্য শুল্কবাবদ টাকা চান। সুশীলও বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৪০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫৩ টাকা দেন। কিন্তু তারপরও কিছু না পেয়ে বুঝতে পারেন তিনি প্রতারিত হয়েছেন।
ওই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেন সুশীল। এরপরই দিল্লি থেকে ওই যুবতী, যুক্তরাষ্ট্রের এক নাগরিক ও আরও ১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের আরও এমন প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত কিনা সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।