1. [email protected] : Joyanta Goswami : Joyanta Goswami
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : News Point : News Point
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৭ অপরাহ্ন

নিউজ পয়েন্ট সিলেট

বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১

মেডিকেলে চান্স পাওয়া মুন্নীর খরচ দেবে গোলাম রাব্বানীর সংগঠন “টিম পভিটিভ বাংলাদেশ”


নিউজ পয়েন্ট সিলেট ডেস্কঃ মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তিন হাজার ১১০তম হয়ে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন সুজানগরের ভ্যানচালকের মেয়ে মোছা. জান্নাতুম মৌমিতা মুন্নী। পাবনা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে তার নম্বর ৬৯.৭৫ নম্বর। মেধার জোরে মেডিকেলে চান্স পেলেও আর্থিক দুশ্চিন্তা তাকে ঘিরে ধরেছে।

কোথায় পাবেন অর্থ তানিয়ে শঙ্কায় দিন কাটছে দরিদ্র পরিবারটির। তবে এ অবস্থায় পাশে দাঁড়িয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তার সংগঠন টিম পজিটিভ বাংলাদেশের (টিপিবি) পক্ষ থেকে মুন্নীর ভর্তির খরচ বহন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে গোলাম রাব্বানী জানান, ‘টিম পজিটিভ বাংলাদেশ (টিপিবি) এর পক্ষ থেকে অদম্য মেধাবী বোন, মুন্নীর ভর্তির খরচ বহন করা হবে ইনশাআল্লাহ। এই বোনকে অথবা ওর পক্ষ থেকে কাউকে যোগাযোগ করার আহবান জানাচ্ছি। আমাদের অনেক মেধাবী ও মানবিক ডাক্তার প্রয়োজন।’

পাবনার সুজানগর উপজেলার উদয়পুর গ্রামের বাকীবিল্লাহ ও রওশন আরা খাতুনের মেয়ে মুন্নী। চার সন্তানের মধ্যে সে সবার বড়। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তার পিতা দরিদ্র ভ্যানচালক। নিজ বাড়ির দুই কাঠা জায়গা ছাড়া কিছুই নেই। একটি ছোট টিনের ঘরে থাকেন পরিবারের সবাই। তার মেডিকেলে ভর্তি ও পড়ার খরচ চালানোর সামর্থ্য পিতার নেই।

বাকীবিল্লাহ বলেন, ব্র্যাক থেকে ২০ হাজার টাকা লোন নিয়ে ভ্যান ক্রয় করি। সেই ভ্যান চালিয়ে কোনোরকম কষ্টে সংসারের খরচ চালাতে হয়। মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালানো আমার কাছে দুঃস্বপ্ন। তবে স্বপ্ন দেখি, মেয়ে ডাক্তার হবে। তবে টাকার অভাবে ভর্তি করাতে পারবো কিনা জানি না।

মুন্নী স্থানীয় পোড়াডাঙ্গা হাজী এজেম আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। পরে পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পান। মুন্নী জানান, স্কুল-কলেজে অর্থের অভাবে একসঙ্গে সব বই কিনতে পারতাম না। মন চাইলে ভালো পোশাক কিনতে পারতাম না। মা-বাবা যা কিনে দিতেন, তাতেই খুশি থাকতাম। স্কুল ও কলেজে সহযোগিতা করেছেন নাছির স্যার। এজন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মুন্নী।

আপনার মতামত দিন
এই বিভাগের আরও খবর

সিলেটের সর্বশেষ
© All rights reserved 2020 © newspointsylhet