1. [email protected] : Joyanta Goswami : Joyanta Goswami
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : News Point : News Point
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন

নিউজ পয়েন্ট সিলেট

রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা” পরীক্ষিত তৃর্ণমুলের কর্মী অভিমানি হয়, বেইমান হয় না-মোঃ আইয়ুব হোসেন মেম্বার


নিউজ পয়েন্ট ডেস্কঃ দুর্দিনের কান্ডারি যখন দলিয় নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে তৃর্ণমুলের নেতা কর্মীরা তখন উজ্জীবিত।একটি সফলতার কারণ হচ্ছে দূরদর্শী সিদ্ধান্ত কর্মকৌশল।যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে তিনি সময়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কৌশলপত্র প্রণয়ন করেন। আর সেটি কারও একার পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব না। দল, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন অঙ্গ একসঙ্গে কাজ না করলে সেই কৌশলপত্র বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। নেতৃত্বে সেটিই সব অঙ্গ কাজ করছে ফলে এখানে একটি অঙ্গের সঙ্গে অন্য অঙ্গের সংঘর্ষ বা দ্বন্দ্বের কোনো বিষয় নেই, কোনো অস্থিরতা নেই।এ বিষয়ে একেবারেই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে মন্তব্য করব। এই সরকার টানা ১২ বছর ক্ষমতায় রয়েছে। এর মধ্যেই আমি সাবেক দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক ছিলাম,( একজন কর্মী ছিলাম), ২০১৬ সালে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছি।এখন কোনো নেতা নই,তৃর্ণমুলের একজন কর্মী। তারপরও ক্ষমতাসীন দলের একজন তৃর্ণমুলের কর্মী হিসেবে আমার কখনোই মনে হয়নি যে দলের নেতারা ও রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিষ্ঠানগুলো আমাকে কখনো অবহেলা করেছে। এরকম কোনো লক্ষণ আমি আজ পর্যন্ত পাইনি,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রযন্ত্রের সব প্রতিষ্ঠানেরই কার্যকর অংশগ্রহণের প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব আছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা আমলারা সেটি পালন করবেন। আবার রাজনৈতিক দল সরকারের নেতৃত্ব দেবে। দেশ কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের নেতৃত্বেই স্বাধীন হয়েছে। এখনো যত কাজ হচ্ছে, তার নেতৃত্বেও কিন্তু রয়েছে রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। দলীয় প্রধান এবং একইসঙ্গে সরকারপ্রধান হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গ সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছে।ফলে যে কোনো নির্বাচন পরিচালনায় কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের দায়িত্বে থাকা আমাদের দলের দুরদিনের কান্ডারিরা যখন নির্বাচন পরিচালনায় থাকেন তখন তৃর্ণমুলের নির্যাতিত নেতা কর্মীরা তাদের অতিতের সব কিছু ভুলে গিয়ে তৃর্ণমুলের নেতা কর্মীরা মনখুলে কাজ করে তার প্রার্থীকে বিজয়ি করার জন্য,বিগত (০৪-০৯-২০২১ ইং সেপ্টেম্বর) সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে মনে পড়ছে আমার প্রিয় নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য,সাবেক মন্ত্রী,বাংলার যুবসমাজের আইকন এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ভাইর কতা,যে নেতার দিক নির্দেশনা নিয়ে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃর্ণমুলের কর্মী হিসেবে কাজ করেছিলাম এবং সারা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যগরিষ্টতা অর্জন করেছিলো বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,সেখানে নির্বাচনী ক্যারিসমাটি ছিলো বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা ও আপনার,কারন আপনার নির্দেশে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুআরি প্রহসনের নির্বাচন প্রতিহত,২০০৩ সালের ক্লিন হাড অপারেশনের নামে আওয়ামীলীগ নিধন অভিযানের নির্যাতিত নেতা কর্মী,২০০৮ সালের মুজিভ আদর্শের লড়াকু সৈনিক জিবন বিনিময় করে রাস্ট্রের ক্ষমতায় নিয়েছিল যুবলীগের তৃর্ণমুলের নেতা কর্মীরা,তখন কার সময় সিলেট-৩ আসনে মহাজোট প্রার্থী হিসেবে আতিকুর রহমানকে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় হাই কমান্ড যখন সিদ্বান্তে উপনিত হয়,আমরা যুবলীগের নেতা কর্মীরা আপনাকে বলেছিলাম সিলেট-৩ আসন জাতীয় পাঠির দুর্গ বেংঙ্গে আওয়ামীলীগের দুর্গ গড়ে তুলতে চাই,আপনি আমাদের’কে আস্হস্ত করেছিলেন নেত্রীর সাথে আলাপ করে সিলেট-৩ আসন উম্মুক্ত করে দিবেন,আর সে সময়ে আমাদের তৃর্ণমুলের যুবলীগের নেতা এবং কর্মীদের’কে নিয়ে সিলেটে মহাজোটেরর প্রার্থী আতিকুর রহমান’কে প্রতিহত করেছিলাম,তখন কার সময় ২০০৮ আমি সহ আমার যুবলীগের নেতা ও কর্মীদের’ উপর মহাজোটের প্রার্থী আতিকুর রহমান মামলা করেছিলেন,সে সময় আপনার নির্দেশে আমি নিজে বাদী হয়ে জাতীয় পাঠির উপর মামলা করেছিলাম,আর সে মামলার কফি আপনাকে ফেক্স মাধ্যেমে পাঠিয়ে ছিলাম,উবয় মামলার কফি নিয়ে যখন নেত্রীর সাথে দেখা করতে যান তখন আপনার সাথে আমাদের অভিবাবক শেখ সেলিম ভাই ও আমাদের প্রয়াত এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধরী ছিলেন,নেত্রীর বাসায় যখন প্রবেশ করেছিলেন তখন আমি কল দিয়েছিলাম আর আমাকে বলেছিলেন তৃর্ণমুলের কর্মীরা কখনো নেত্রীর সাথে বেইমানি করেনা, আর সে দিন ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে নৌকা জয়লাব করে আমাদের দলের কর্মীরা ঘরে ফিরে ছিলো,আপনি কলদিয়ে বলেছিলেন তোমরা তোমাদের কথা রেখেচ,আমরা যথদিন থাকবো তোমাদের কতা আমাদের স্বরণ তাকবে,আর আজো আমার মতো নেতা কর্মীদের’কে খবর নিচ্ছেন,এর চে তৃর্ণমুলের একজন কর্মী হিসেবে আরকিবা পাওয়ার আছে,আপনিতো আমাদের আইকন,আমরা আপনার যখন যে নির্দেশনা পেয়েছি তখন আমরা প্রমান করে দিয়েছি আমরা মুজিভ আদর্শের লড়াকো সৈনিক সে সময় আমার মতো লাখো যুবলীগের নেতা ও তৃর্ণমুলের কর্মীরা জিবন দিতে ও দিধাবুধ করেনি কর্মীরা।২০১৪ সাল ও ২০১৮ সাল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার দিক নির্দেশনায় যুবলীগের তৃর্ণমুলের নেতা কর্মীরা জিবন বিনিময় করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে ছিলো।আজ সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধরীর মৃত্যুতোবরণের কারনে এ আসনে বিগত ৪ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।আর সেই উপনির্বাচনের ৪ তারিখে আগে আপনার সেই সকল নির্যাতিত নেতা ও তৃর্ণমুলের কর্মীদের’কে আবার উজ্জিবিত করতে ও নির্বাচনে জয়লাব করতে তাদের খুজ খবর নিয়েছিলেন,আজ আপনার মতো বিচক্ষণ রাজনীতিবিধ আছেন বিদায় আমার মতো লাখো নেতা ও তৃর্ণমুলের কর্মী হিসেবে রাজনীতি করছি,আপনি যে বাভে আমাদের’কে যে রাজনৈতিক শিক্ষা দিয়েছেন আজ আবারো নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে হলেও তৃর্ণমুলের কর্মীরা সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে রাস্ট্র নায়ক শেখ হাসিনাকে উপহার দিয়ে হাবিবুর রহমান হাবিব’কে (নৌকার) বিজয় করে ঘরে ফিরেছে দলিয় নেতা ও তৃর্ণমুলের কর্মীরা।

হে প্রিয় নেত্রী,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা সফল রাস্ট্রনায়ক”শেখ হাসিনা”ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য,সাবেক মন্ত্রী প্রিয় নেতা”এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক”ভাই পরীক্ষিত তৃর্ণমুলের কর্মী অভিমানি হয়, বেইমান হয় না।

আর আমরা দিন শেষে জুকের কোণে কয়েক ফুটা অশ্রু নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।

পরিশেষে কবি গুরু মহাদেব শাহার বাণীতে,
“এই শূন্য ঘরে, এই নির্বসনে
কতোকাল, আর কতোকাল!
আজ দুঃখ ছুঁয়েছে ঘরবাড়ি,
উদ্যানে উঠেছে ক্যাকটাস্ত
কেউ নেই, কড়া নাড়ার মতো কেউ নেই,
শুধু শূন্যতার এই দীর্ঘশ্বাস, এই দীর্ঘ পদধ্বনি ”।
বলতে গেলে অনেক ইতিহাস শেষ হবার নয়। তাতে নিজের কষ্ট আরো বাড়ে।
ভাল থাকুক ভালোবাসার মানুষ গুলি।
জয়বাংলা গানে বেছে থাক সকল ত্যাগী কর্মী।

লেখকঃ
মোঃ আইয়ুব হোসেন মেম্বার
সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবলীগ।

আপনার মতামত দিন
এই বিভাগের আরও খবর

সিলেটের সর্বশেষ
© All rights reserved 2020 © newspointsylhet