1. [email protected] : Joyanta Goswami : Joyanta Goswami
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : News Point : News Point
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন

নিউজ পয়েন্ট সিলেট

রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১

দক্ষিণ সুরমা’র কৃতি সন্তান মোহাম্মদ মুজিব হোসেন এর দুটি কথা


নিউজ পয়েন্ট সিলেট ডেস্কঃ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্টাকালীন সভাপতি প্রয়াত নেতা হাজী মৌলুল হোসেন এর সুযোগ্য সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা, সর্ব ইউরোপ বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ মুজিব হোসেন এর সাথে নিউজ পয়েন্ট সিলেটের আলাপকালে “নিউজ পয়েন্ট সিলেট” এ প্রকাশিত মোহাম্মদ মুজিব হোসেন এর দুটি কথা⤵️

আমি মোহাম্মদ মুজিব হোসেন।

জন্মথেকেই আমি গর্বিত আমার পিতৃপ্রদত্ত নামটি নিয়ে।কারন আজন্ম মুজিব আদর্শের অগ্রনী সৈনিক আমার পিতা ,জাতির জনকের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ স্বরুপ নিজ সন্তান অর্থাৎ আমার নাম রেখেছিলেন মুজিব ।
তাইতো জীবনের প্রতিটা ধাপে আমিও জাতির জনকের আদর্শকে বুকে লালন করে বড় হয়েছি।

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ একাদশ শ্রেনীর বানিজ্য বিভাগের ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে (১৯৮৮ইং)প্রাতিস্টানিক ভাবে ছাত্রলীগের রাজনীতির দুর্গম পথে হাঁটা শুরু। এর পর পর্যায় ক্রমে কলেজ ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক.পরবর্তীতে দক্ষিন সুরমা আঞ্চলিক (১৯৯০-৯৬ইং)ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করি।

এরই ধারাবাহিকতায়, সিলেট ল-কলেজে অধ্যয়ন কালে কলেজ ছাত্র সংসদের দুইবারের (১৯৯৪-৯৫ইং)(১৯৯৫-৯৬ইং)নির্বাচনে ছাত্রলীগ মনোনীত প্যানেল যথাক্রমে শামীম-শিরু এবংশিরু-জুনেল পরিষদকে বিজয়ী করতে নিজের সর্বোচ্চ শক্তি সামর্থ ব্যয় করি এবং কলেজ ক্যাম্পাসে মুজিব আদর্শের পতাকা উড়াতে নিজেকে বিলিয়ে দিতে কুন্ঠাবোধ করিনি।
সেই পথ চলা আজও শেষ হয় নি।
প্রবাস জীবনে যুক্তরাজ্য যুবলীগের কার্য নির্বাহী সদস্য (২০০৫-১২ইং)
বর্তমানে সর্ব ইউরোপ বঙ্গঁবন্ধু পরিষদের সহ সাধারন সম্পাদক।

জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার দুর্জয় বাসনা অন্তরে লালন করে এগিয়ে চলেছি।ছাত্র রাজনীতি দিয়ে যে যাত্রা শুরু তা জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ কে সফল করার অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে নিতে চাই। এই পথ যতই দুর্গম হোক থামবোনা ইনশাল্লাহ।তাইতো সকল মুজিব আদর্শের সৈনিকদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে নিতে চাই বিজয়ের সারতী। জয় বাংলা।জয় বঙ্গবন্ধু।।।

পেশা জীবনঃ
শিক্ষকতা অবৈতনিক নিজ গ্রামে কামালগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,৮৬-৮৭]
ডেভলপমেন্ট অফিসার জীবন বীমা কর্পোরেশন-১৯৯১-৯৩ইং
এজেন্সি ম্যানেজার ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স ১৯৯৪ইং
রিজিওনাল ম্যানেজার হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স ১৯৯৪-৯৬ইং
মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স
এক্সপোর্ট ইমপোর্ট বিজনেস ১৯৯৩-৯৮ইং
মেসার্স হোসেন ব্রাদার্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি ১৯৯৭-৯৯ইং
শুরু শেফ হিসাবে রেস্টুরেন্ট অনার টু লন্ডন
সামাজিক বৃত্তান্তঃ
সাধারণ সম্পাদক বান্ধবী তেলিরাই-১৯৯০-৯২
সিলেট জেলা রেস্ট হাউস ম্যানেজার সমিতি সাংগঠনিক সম্পাদক ১৯৯৩-১৯৯৫
বিএনপি-জামাত নৈরাজ্য কালীন সময়ে।
সিলেট জেলা হোটেল রেস্ট হাউস মালিক সমিতির সদস্য এলাহি বোর্ডিং স্টেশন রোড সিলেট
সিলেট জেলা গণদাবি পরিষদ সাধারণ সম্পাদক ১৯৯৫-৯৭
যুগ্ন আহবায়ক সিলেট সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়ন পরিষদ
২০২০-২০২১

শিক্ষাজীবনঃ
মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাচলার অফ ডিগ্রী ১৯৯৩ইং
সিলেট আইন কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রিলিমিনারি ১৯৯৪-১৯৯৫ইং
HND ডিপ্লোমা ঃ ব্রিটিশ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি২০১৬
বিএ অনার্স সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটি লন্ডন ২০১৮ইং
DET এন্ড HRM এম বি এ শিক্ষার্থী
পরিবার বৃত্তান্তঃ
স্ত্রী-সন্তান সহ এক পুত্র দুই কন্যার জনক।

পিতা প্রায়ত হাজী মোঃ মৌলুল হোসেন সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের তেলিরাই গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম হাজী আবুল হোসেন (আবু চাঁন স্বরপঞ্চ) মাতা মরহুমা জমিলা খাতুন।

সিলেটের এক প্রতিবাদি কন্ঠ,সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম বট বৃক্ষ হাজী মোহাম্মদ মৌলুল হোসেন। ১৯৬৯ ইংরেজি সিলেট বঙ্গবন্ধু আগমনের তৎকালীন মুজিব ভাই রিসিভ কমিটির কনভেনার এর দায়িত্ব পালন করেন। বঙ্গবন্ধু যে চেয়ারে বসে মিটিং এ উপস্থিত বক্তৃতা করেন সেই চেয়ার জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথম ক্ষমতায় আসার পরে আফটার ৯৬ ইংরেজি ৩২নম্বর কে জাদুঘরে রূপান্তর করেন তখন সেই চেয়ার হাজী মৌলুল হোসেন জাদুঘরে চেয়ারটি দান করেন নেত্রী একটি রশিদ দেন এবং রশিদ এর লেখা ছিল আমার বাবার সিলেট থেকে কোন স্মৃতি পাইনি একটি চিঠি পেলাম।১৯৭০ শুরুর দিকে সিলেট সদর আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন তিনি। দক্ষিণ সুরমা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি। ১৯৭৭ জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন তিনি। তিনি আমৃত্যু জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী কালে রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। চেয়ারম্যান থাকাকালীন হাজার ১৯৭২ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেন এবং উত্তীর্ণ হন । মধ্যবয়সে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কারণ ও যথেষ্ট ছিল। তৎকালীন ৯ নং মোল্লারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (সরকার কতৃক) মনোনীত চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। হাজি মৌলু ল হোসেন ২১ সন্তানের জনক ১৭ ছেলে চার মেয়ে। স্বাধীনতা-উত্তর উনার উপর গুলির অর্ডার ছিল। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক বঙ্গবন্ধুর ডাকে প্রথম সিলেট আখালিয়া বিডিআর ক্যাম্প আক্রমণ করেন নিজস্ব লাইসেন্সধারী বন্দুক নিয়ে। সহযোদ্ধা সহকর্মী নিয়ে। জীবনে তিন চারবার জেল খাটতে হয় উনাকে। স্বাধীনতা কালীন দেওয়ান ফরিদ গাজী সাহেবের নেতৃত্বে দক্ষিণ সুরমা প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। সি আর দত্ত কে রেলস্টেশন থেকে ফিরিয়ে দেন দক্ষিণ সুরমা আমার দায়িত্বে আছে। ১৫ আগস্ট এর দিন জাতির পিতার সাথে দেখা করার কথা ছিল এবং গিয়েছিলে সাথে ছিলেন মরহুম নজির মিয়া চৌধুরী ও ঈসাক মিয়া কিন্তু মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য ৩২ নম্বর বাসার সামনে থেকে ফিরে আসেন বিস্তারিত দেওয়ান ফরিদ গাজী সাহেবের সাথে কথা বলে ক্রন্দনরত অবস্থায় ঢাকা থেকে সিলেট ফিরে আসেন/১৯৭৫ -১৫ ই আগস্ট জাতির মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। জিয়াউদ্দিন লালার সহযোগিতায় একটি কমিটিও গঠন করেন সে কমিটিতে নিজে আহবায়ক ,যুগ্ন আহবায়ক দায়িত্ব পালন করেন আবু হোসেন (বর্তমান টিচার অ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি সর্ব বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি) অনেক সংগঠনের সহিত জড়িত ছিলেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, হত্যা রাহাজানি জুলুম প্রতিরোধ কমিটি, প্রবীণ হিতৈষী সংঘ,।

হাজী সাহেব অনেক মাপের ব্যবসায়ী ছিলেন।
সামরিক জান্তা বিভিন্ন সময় এরেস্ট করে, স্পেশিয়ালি জিয়া সরকারের আমলে তাহার অনেক ব্যবসায়ী লাইসেন্স ক্যানসেল করে দে য়। জুলুম-নির্যাতনের শিকার একুশ বছর সামরিক সরকারের আমলে।

তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন এক্সপোর্ট ইমপোর্ট। ষ্টেশন রোডের এলাহি বোডিং এর স্বত্বাধিকারী। ষ্টেশন রোডের বাজার কমিটির সভাপতি ছিলেন ৪০ বছর। তিনি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ সভাপতি ছিলেন। গণদাবি পরিষদের জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ছিলেন তিনি। তিনি তাহার এলাকায় মসজিদ ও স্কুলের ভূমি দাতা। তাহার নিজ নামে মসজিদ আছে দক্ষিণ সুরমা ষ্টেশন রোডে। খিত্তা গোপশহর মাদ্রাসায়ে মদিনাতুল উলুমে হাজী মৌলুল হোসেন হল। লতিপূর বেটূর মুখ হাজী মৌলুল হোসেন নামে মসজিদ আছে।

এখানে উল্লেখ যে আমি কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদে সাহিত্য আসরে নিয়মিত সাহিত্য পাঠে অংশগ্রহণ করতেন। । হাজী মৌলুল হোসেন একজন স্বভাব কবি ছিলেন। তিনি নিয়মিত কবিতা ও ছড়া লিখতেন। তিনি দক্ষিণ সুরমা সাহিত্য পরিষদের আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন। সবচেয়ে মজার বিষয় উনি ৭০ বছর বয়স কালীন সময়েও হোমিওপ্যাথিক কলেজে ভর্তি হন ৯০ দশকের পরে এবং ওই কলেজের ডিপিও নির্বাচিত হন এবং হোমিওপ্যাথিক ডক্টর ডিগ্রী অর্জন করেন। উনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে ভূমিকা রাখেন। উনি একজন আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন ধর্মপ্রাণ স্ট্রং মুসলিম ছিলেন। জীবনের শুরুতে উনি সেনাবাহিনীতে চাকরির যোগদান করেন কিন্তু ট্রেনিং সহ্য করতে না পেরে চাকরি ছেড়ে নাম পরিবর্তন করে তখন (নাম ছিল মোহাম্মদ আমির হোসেন) রাজনীতি ও ব্যবসার সাথে জড়িত ১৯৪৭ ইংরেজি ২২ এপ্রিল সিলেটের হাজার হাজার ছাত্রজনতা কৃষক শ্রমিক শুভযাত্রা সহকালে ইংরেজি ডিসি ডাম ব্র্যাকের অফিস ঘেরাও করলে জনাব হাজী সাহেব ও যুব নেতা ধলাবারী ডিসি র অফিসের উপর ঝুলিয়ে রাখা পতাকা নামিয়ে মুসলিম লীগের পতাকা উড়ান। তিনি ভাষা আন্দোলন হাজার ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট গঠন বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন,
অনেক অনেক মসজিদ মাদ্রাসা স্কুল কলেজ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন ম্যানেজিং কমিটিতে
উল্লেখিত গোপ শহর খিত্তা মাদ্রাসা ভার্থখলা মাদ্রাসা কাজির বাজার মাদ্রাসা ইনাতাবাদ মাদ্রাসা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মকন মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সেক্রেটারি দায়িত্ব পালন করেন।

Bangladesh Legal Aid and Services Trust (BLAST) ভলেন্ডারী ওয়ার্ক করেন।
২০০৫ সালে এই গুণিজন আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে যান। সাহসী এই নেতাকে তাহার কর্মের জন্য সিলেট তথা দক্ষিণ সুরমা ও প্রিয় এলাকাবাসি আজীবন মনে রাখবে। আমি এই শ্রদ্ধেয় পিতার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
বড় ভাই মোহাম্মদ রাজ্জাক হোসেন
দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক-ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
আরেক ভাই মোঃ মুমিন হোসেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি
প্রয়াতঃ মরহুম মোসাদ্দেক হোসেন মুসা দক্ষিণ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক ছিল।
আমার দাদা মরহুম হাজী আবুল হোসেন ১নং মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত স্বরপঞ্চ ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবনের প্রথম পর্যায়ে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন পরবর্তীতে সিলেট শহরের শেখ ঘাটের জিতু মিয়ার নেতৃত্বে কংগ্রেস রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যান। ১৯৯৩ সালে তিনি পরলোক গমন করেন।

মোহাম্মদ মুজিব হোসেন

mobile – 07446896349

Email- [email protected]

আপনার মতামত দিন
এই বিভাগের আরও খবর

সিলেটের সর্বশেষ
© All rights reserved 2020 © newspointsylhet