1. [email protected] : Joyanta Goswami : Joyanta Goswami
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : News Point : News Point
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৯ অপরাহ্ন

নিউজ পয়েন্ট সিলেট

মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

তান্ডবে জড়িত থাকায় পদত্যাগ করেও ছাড় পাননি হেফাজত নেতা- আব্দুর রহিম কাসেমী


নিউজপয়েন্ট সিলেট ডেস্কঃ  হেফাজতে ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী কয়েকদিন আগে সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। তাতেও রেহাই পেলেন না তিনি। তাকে গ্রেফতার হতেই হলো।

হেফাজতের তাণ্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ভাদুঘর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) রহিছ উদ্দিন।

 

পুলিশ আরও জানায়, ২০১৬ সালেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের সঙ্গে এই কাসেমী প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কাসেমী হেফাজতের তাণ্ডবে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িতদের বিচার চেয়ে পদত্যাগ করেন সংগঠনটির নেতা মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী। তিনি হেফাজতে ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডবের ঘটনার পর গত ২৩ এপ্রিল দল থেকে পদত্যাগ করেন মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি দলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাকে না ডাকা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের কথা উল্লেখ করেন। তবে গ্রেফতার এড়াতেই মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী দল থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

 

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদ এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনের খবরে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় মাদরাসার ছাত্র ও হেফাজত কর্মীরা।

এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেসক্লাব, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাকবাংলো, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবন, আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ ৩৮টি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় নিহত হয় ১২ জন। পরে এ ঘটনায় মোট ৫৬টি মামলা হয়। এসব মামলায় ৪১৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়েছে।

নিউজপয়েন্ট সিলেট/ আর

আপনার মতামত দিন
এই বিভাগের আরও খবর

সিলেটের সর্বশেষ
© All rights reserved 2020 © newspointsylhet