1. [email protected] : Joyanta Goswami : Joyanta Goswami
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : News Point : News Point
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:৫৯ অপরাহ্ন

নিউজ পয়েন্ট সিলেট

শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

খাদ্য অপচয় ও বর্জ্য হ্রাস সচেতনতা দিবস


বর্তমান বিশ্বে  প্রায়  ১ কোটি লোক ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যায় এবং ২.৩ কোটি লোক খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় আছে । আমরা  কিন্তু প্রতিদিনই বহু খাদ্য সামগ্রী নষ্ট করছি এবং অনেক খাদ্য সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত বা সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, বিশ্বে উৎপাদিত খাদ্যের ১৩% নষ্ট হয়ে যায় বাজার পর্যন্ত পৌঁছাতে এবং ১৭% নষ্ট হয়ে যায় ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে।

খাদ্য সাধারণত সংগ্রহ, প্রক্রিয়া ও সংরক্ষণের সময় নষ্ট হওয়ার হার বেশি। এই খাদ্য নষ্ট হওয়ার হার বিগত কয়েকদশকে ধরে প্রকট হচ্ছে। বর্তমান সময়ে শিল্প বিল্পবের কারণে মানুষের খাদ্য সরবরাহ ও প্রক্রিয়াজাতকরনে পরিবর্তন আসছে। কিন্তু এরপরেও জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সঠিক সময়ে শস্য উৎপাদন ও সংরক্ষণের অভাবে অনেক খাদ্য শস্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের কারণেও সঠিকভাবে খাদ্য শস্য বিতরণ ও সংরক্ষণের অভাবে খাদ্যশস্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। খাদ্য অপচয় শুধু অনেক লোককে ক্ষুধার্ত রাখছে না, একই সাথে খাদ্য অপচয়  গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে বড় ভূমিকা রাখছে। উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে ২০১৯ সালের জাতিসংঘের এক সাধারণ সভায় মানুষকে খাদ্য অপচয় ও বর্জ্য হ্রাসে সচেতন করার লক্ষ্যে প্রতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বরকে “International Day of Awareness of Food Loss and Waste” হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো খাদ্য অপচয় ও নষ্ট হবার কারণ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। এ বছর এ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো  “Reducing Food Loss and Waste: Taking Action to Transform Food System”.

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও জাতিসংঘের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায়  ১.৪৫ কোটি টন খাদ্য অপচয় হয়। খামার হতে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে প্রায় ৩৭ লাখ টনের বেশি খাদ্য শস্য নষ্ট হয়ে যায়। বাংলাদেশে সংগৃহীত খাদ্য শস্যের ৫.৫% অপচয় হয়। মোট অপচয়ের ৩% হয় খাদ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত স্তরে, ১.৪% খাদ্য পরিবেশনে এবং ১.১% খাদ্য অপচয় হয় খাবার টেবিল থেকে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও জাতিসংঘের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায়  ১.৪৫ কোটি টন খাদ্য অপচয় হয়। খামার হতে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে প্রায় ৩৭ লাখ টনের বেশি খাদ্য শস্য নষ্ট হয়ে যায়। বাংলাদেশে সংগৃহীত খাদ্য শস্যের ৫.৫% অপচয় হয়। মোট অপচয়ের ৩% হয় খাদ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত স্তরে, ১.৪% খাদ্য পরিবেশনে এবং ১.১% খাদ্য অপচয় হয় খাবার টেবিল থেকে।

 

 

SDGs-২০৩০, (এজেন্ডা-১২) এর লক্ষ্য হলো খুচরা ও ভোক্তা পর্যায়ে মাথাপিছু বিশ্বব্যাপী খাদ্য অপচয় অর্ধেক এবং খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে খাদ্যের অপচয় কমানোর আহবান জানানো হয়েছে। এছাড়াও  কুনমিং – মন্ট্রিয়ল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্ক এর লক্ষ্য -১৬ হলো বিশ্বে খাদ্য অপচয়  ২০৩০ সালের মাঝে অর্ধেক করা। SDGs-২০৩০ এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের খাদ্যের অপচয় ও বর্জ্য হ্রাসে নজর দিতে হবে। এ লক্ষ্যে সঠিক ভাবে খাদ্য উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও সরবরাহের উপর প্রচারণার মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা যেতে পারে। তবেই আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০৪১ অনুযায়ী বাংলাদেশকে উন্নত ও স্মার্ট  রাস্ট্র গঠনে অবদান রাখতে পারবো।

 

SDGs-২০৩০, (এজেন্ডা-১২) এর লক্ষ্য হলো খুচরা ও ভোক্তা পর্যায়ে মাথাপিছু বিশ্বব্যাপী খাদ্য অপচয় অর্ধেক এবং খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে খাদ্যের অপচয় কমানোর আহবান জানানো হয়েছে। এছাড়াও  কুনমিং – মন্ট্রিয়ল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্ক এর লক্ষ্য -১৬ হলো বিশ্বে খাদ্য অপচয়  ২০৩০ সালের মাঝে অর্ধেক করা। SDGs-২০৩০ এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের খাদ্যের অপচয় ও বর্জ্য হ্রাসে নজর দিতে হবে। এ লক্ষ্যে সঠিক ভাবে খাদ্য উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও সরবরাহের উপর প্রচারণার মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা যেতে পারে। তবেই আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০৪১ অনুযায়ী বাংলাদেশকে উন্নত ও স্মার্ট  রাস্ট্র গঠনে অবদান রাখতে পারবো।

আপনার মতামত দিন
এই বিভাগের আরও খবর

সিলেটের সর্বশেষ
© All rights reserved 2020 © newspointsylhet