1. [email protected] : Joyanta Goswami : Joyanta Goswami
  2. [email protected] : Developer :
  3. [email protected] : News Point : News Point
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন

নিউজ পয়েন্ট সিলেট

মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১

করোনায় স্কুলশিক্ষক জলিল মাস্টার থেকে একজন কচু ব্যবসায়ী


নিউজপয়েন্ট সিলেট ডেস্কঃ একসময় তার অধীনে পাঠদান করাতেন ১১ জন স্কুলশিক্ষক। শিক্ষকদের বেতন দিতেন নিজ হাতে। নিজেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাড়া দিতেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে আজ সেই স্কুলশিক্ষক জলিল মাস্টার একজন কচু ব্যবসায়ী। বন্ধ হওয়ার উপক্রম তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শেরপুরের নকলা ‘বেবি কেয়ার স্কুল’ ছিল ওই শিক্ষকের। প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করানো হতো। করোনায় স্কুল, কলেজ ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার কারণে স্কুলটি বন্ধ হয়ে যায়।

এ কারণে ওই স্কুলের শিক্ষক জলিল মাস্টার অন্যের ২০ শতাংশ জমিতে কচু চাষ শুরু করেছেন। কচু চাষ করে যে সামান্য আয় হয় তাই দিয়ে চলে তার পাঁচ সদস্যের সংসার। কচু ও লতি বিক্রি করে এখন সপ্তাহে মাত্র ৬০০ টাকা আয় করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

করোনায় ইতিমধ্যে জলিল মাস্টার সংসার চালাতে গিয়ে এরই মধ্যে দুই লাখ টাকা ঋণের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছেন। স্কুলের আসবাবপত্র এরই মধ্যে বেশির ভাগই নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকেই শিক্ষকতা পেশা পরিবর্তন করে বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়েছেন।

 

জলিল মাস্টারের মতো দুঃসময় কাটছে উপজেলার অধিকাংশ কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের শিক্ষকদের। গত বছর সরকারের পক্ষ থেকে করোনায় অনুদান পেয়েছিলেন মাত্র ৫০০ টাকা।

নকলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান বলেন, করোনায় কর্মহীন বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষকদের অবস্থা খুবই করুণ। সরকারের পক্ষ থেকে করোনায় অনুদান পেয়েছিলেন গত বছর হাতে গোনা কয়েকজন। এ বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত দিন
এই বিভাগের আরও খবর

সিলেটের সর্বশেষ
© All rights reserved 2020 © newspointsylhet