গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এ বছরের (১৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ওসমানী বিমানবন্দর হয়ে সিলেটে আসেন ৩২ হাজার ৬৩৫ জন। এছাড়া একই সময়ে গোয়াইনঘাটের তামাবিল স্থলবন্দর হয়ে সিলেটে আসেন চার হাজার ২১ জন। বিয়ানীবাজারের সুতারকান্দি স্থলবন্দর দিয়ে আসেন এক হাজার ২০ জন। সিলেটের জকিগঞ্জ স্থলবন্দর দিয়ে আসেন এক হাজার ১৬০ জন। হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের বাল্লা স্থলবন্দর আসেন ২২০ জন। মৌলভীবাজারের জুড়ীর ফুলতলা (বটুনী) স্থলবন্দর দিয়ে ১৮৯ জন। কুলাউড়া চাতলা স্থলবন্দর দিয়ে আসেন ৯৮০ জন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. সুলতানা রাজিয়া। তিনি বলেন, গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর ও ছয়টি স্থলবন্দর দিয়ে সিলেটে এসেছেন ৪০ হাজার ২২৫ জন নারী-পুরুষ। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি যাত্রী এসেছে লন্ডন থেকে। সরকারের নির্দেশনা অনুসারে লন্ডন থেকে আগতদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিলো। আর স্থলবন্দর দিয়ে যারা প্রবেশ করেছেন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিছু নির্দেশনা দিয়ে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য বলা হয়। এছাড়া যাদের করোনা শনাক্ত হয় তাদেরকে করোনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল বলে জানান তিনি।